শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

এলডিসি উত্তরণের পরও যুক্তরাজ্যে ৯৯.৮ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা বহাল থাকবে

যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম (ডিসিটিএস)-এর আওতায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও অন্যান্য রপ্তানি পণ্য শূন্য শুল্কে প্রবেশের সুবিধা নিশ্চিত হলো।

ই

ইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ পরিমার্জন: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কনটেইনার শিপিং সম্পর্কিত প্রতীকী চিত্রপ্রতীকী ছবি
যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত রপ্তানি ও বন্দর বাণিজ্য (প্রতীকী ছবি)ছবি: প্রতীকী ছবি
WhatsApp

লন্ডন ও ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর (ই-পত্রিকা ডেস্ক): স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত মাইলফলকে পৌঁছানোর পরও যুক্তরাজ্যের সুবিশাল বাণিজ্যিক বাজারে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি পণ্যের শতকরা ৯৯ দশমিক ৮ ভাগ পণ্য সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা ভোগ করবে। যুক্তরাজ্য সরকারের প্রবর্তিত ‘ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম’ (DCTS)-এর আওতায় এই বাণিজ্যিক সুবিধা নিরবচ্ছিন্নভাবে বজায় থাকবে বলে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য নীতি উইং সূত্রে জানা গেছে, ব্রেক্সিট-পরবর্তী বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্য তাদের স্কিমটিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য নিয়মকানুন অনেক সহজ করেছে। বিশেষ করে রুলস অব অরিজিন বা পণ্যের মূল উৎপত্তিস্থলের শর্ত শিথিল করায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, প্রক্রিয়াজাত চামড়া, ওষুধ এবং হালকা প্রকৌশল খাতের পণ্যগুলো বিশ্ববাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখেও বাড়তি সুবিধা ধরে রাখতে পারবে। অতীতে এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী রপ্তানি ধসের যে আশঙ্কা অর্থনীতিবিদরা প্রকাশ করেছিলেন, যুক্তরাজ্যের এই পদক্ষেপে তা অনেকাংশেই দূর হলো।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর এক শীর্ষ নেতা বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য। প্রতি বছর দেশটিতে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়। ডিসিটিএস ফ্রেমওয়ার্কের পূর্ণ সুবিধা বজায় থাকায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও রিটেইলাররা নির্বিঘ্নে দীর্ঘমেয়াদি অর্ডারের চুক্তি অব্যাহত রাখতে পারছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যুক্তরাজ্যের এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত ইতিবাচক হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার বাজারেও অনুরূপ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক অগ্রাধিকার ধরে রাখতে অর্থনৈতিক কূটনীতি আরো জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি পণ্যের পরিবেশবান্ধব গ্রিন সার্টিফিকেশন ও বৈচিত্র্য নিশ্চিত করা ছাড়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে টিকে থাকা দীর্ঘমেয়াদে সম্ভব নয়।

এই সংবাদটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

একটি বা একাধিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারেন

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও সংবাদ

বস্ত্র ও টেক্সটাইল খাতের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তার আহ্বান বিটিএমএর

জাতীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে ২২ বিলিয়ন ডলারের প্রাথমিক টেক্সটাইল খাতের অবদান তুলে ধরে গ্যাস-বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও ভ্যালু চেইনে সহায়তার তাগিদ।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্যে মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় কার্যকর আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর তাগিদ

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর পেটেন্ট ও কপিরাইট সুরক্ষায় দেশীয় ওষুধ, সফটওয়্যার ও শিল্পখাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ আকর্ষণে কুয়ালালামপুর যাচ্ছে ডিসিসিআইর ৩৯ সদস্যের বাণিজ্য প্রতিনিধি দল

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাসকীন আহমেদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি ও যৌথ শিল্প বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচনে আলোচনা করবে।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও শিল্প বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশ ও জার্মানির যৌথ সংলাপ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ-জার্মান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিজিসিসিআই) উদ্যোগে আয়োজিত সংলাপে প্রযুক্তি স্থানান্তর, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও রপ্তানি সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

শিল্প খাতে দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি: অর্থনৈতিক অঞ্চলে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম তৈরিতে ২০০ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগ

আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশেই আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক বৈদ্যুতিক ক্যাবল, সুইচ ও ট্রান্সফরমার উৎপাদন করতে বিশেষায়িত প্ল্যান্ট স্থাপন করছে স্থানীয় শিল্পগ্রুপ।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

আঞ্চলিক সংযোগ ও বাণিজ্যিক বিস্তার: বাংলাদেশ-ইউনান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছাড়িয়েছে ১৩০ কোটি ইউয়ান

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইউনান প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক লেনদেনে নতুন রেকর্ড অর্জিত হয়েছে; তৈরি পোশাক ও সামুদ্রিক খাদ্য রপ্তানি বৃদ্ধির ইতিবাচক সম্ভাবনা।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক