ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর (ইপত্রিকা ডেস্ক): স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে চূড়ান্ত উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাজারে মেধাস্বত্ব (আইপিআর) সুরক্ষা সংক্রান্ত কঠিন শর্তাবলি মোকাবিলায় এখনই জাতীয় পর্যায়ে শক্তিশালী আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক ফ্রেমওয়ার্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকরা। আজ এক উচ্চপর্যায়ের জাতীয় গোলটেবিল বৈঠকে এ তাগিদ দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, এলডিসিভুক্ত দেশ হিসেবে ডব্লিউটিওর ট্রিপস (TRIPS) চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ যেসব বিশেষ ছাড় ভোগ করে আসছে, গ্র্যাজুয়েশনের পর তা ধীরে ধীরে প্রত্যাহার হবে। বিশেষ করে দেশীয় ফার্মাসিউটিক্যালস, তৈরি পোশাকের পেটেন্ট ডিজাইন এবং সফটওয়্যার শিল্পকে আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ব আইনের পূর্ণ কমপ্লায়েন্স মেনে চলতে হবে। এই রূপান্তরকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে আইপি অফিসসমূহের ডিজিটালাইজেশন ও দ্রুত পেটেন্ট নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
বৈঠকে বক্তারা উল্লেখ করেন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা কেবল আইনি বাধ্যবাধকতা নয়, বরং এটি দেশীয় উদ্ভাবন, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে বিশাল নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তৈরি করবে। দেশি গবেষকদের পেটেন্ট স্বত্ব সুরক্ষায় প্রণোদনা প্যাকেজ ও আইনি সহায়তা দিতে একটি জাতীয় পরামর্শক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এবং তারা বিদ্যমান মেধাস্বত্ব আইনগুলোকে আন্তর্জাতিক মানের সাথে যুগোপযোগী করার আশ্বাস দেন।






