রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

প্রাণঘাতী টিআর৪ রোগ ও জলবায়ু সংকটে হুমকিতে কলা, আশার আলো দেখাচ্ছে প্রজননপ্রযুক্তি

বিশ্বের শীর্ষ রপ্তানিকারক ইকুয়েডরে সংক্রমণ ছড়ানোয় খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ; তবে রোগ প্রতিরোধী নতুন জাত উদ্ভাবনে ‘ইয়েলোওয়ে’ উদ্যোগের বড় সাফল্য।

ই

ইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক

প্রকাশ: রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ পরিমার্জন: রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রাণঘাতী টিআর৪ রোগ ও জলবায়ু সংকটে হুমকিতে কলা, আশার আলো দেখাচ্ছে প্রজননপ্রযুক্তিপ্রতীকী ছবি
প্রাণঘাতী টিআর৪ রোগ ও জলবায়ু সংকটে হুমকিতে কলা, আশার আলো দেখাচ্ছে প্রজননপ্রযুক্তি — প্রতীকী সম্পাদকীয় চিত্র (জলবায়ু ও কৃষি)ছবি: প্রতীকী ছবি
WhatsApp

জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানামা রোগের নতুন প্রাণঘাতী ধরন ‘টিআর৪’ (ট্রপিক্যাল রেস ৪)-এর বিস্তারের ফলে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফলগুলোর অন্যতম কলার অস্তিত্ব গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, টমেটোর পর বিশ্বে সবচেয়ে বেশি খাওয়া ফল কলা, যার বার্ষিক বৈশ্বিক উৎপাদন প্রায় ১৩ কোটি ৯০ লাখ টন। কিন্তু জিনগত বৈচিত্র্যের অভাবে বাণিজ্যিক কলার প্রধান জাত ‘ক্যাভেন্ডিশ’ এখন বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়েছে।

বিশ্বজুড়ে কলার এক হাজারের বেশি জাত থাকলেও ১৯৫০-এর দশকে পানামা রোগের আক্রমণে ‘গ্রোস মিশেল’ জাতটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার পর বাজার দখল করে নেয় ক্যাভেন্ডিশ কলা। কিন্তু বাণিজ্যিক ক্যাভেন্ডিশ কলা মূলত প্রজননক্ষমতাহীন ক্লোন হওয়ায় প্রতিটি গাছের জিনগত গঠন হুবহু এক। ফলে একটি গাছ কোনো ছত্রাক বা রোগে আক্রান্ত হলে পুরো জাতটিরই সমানভাবে ধ্বংস হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

যুক্তরাজ্যের নরউইচে অবস্থিত আর্লহ্যাম ইনস্টিটিউটের ফসলের জিনোমবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ড. হোসে দে ভেগা জানিয়েছেন, টিআর৪ নামের নতুন এই রোগটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ক্রমে অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বিশ্বের শীর্ষ কলা রপ্তানিকারক দেশ ইকুয়েডরে এই রোগের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ায় বৈশ্বিক সরবরাহ এবং গুয়াতেমালা থেকে মালাবি পর্যন্ত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের লাখো মানুষের জীবিকা ও খাদ্যনিরাপত্তা বড় হুমকির মুখে পড়েছে।

তবে এই সম্ভাব্য বিপর্যয় রোধে প্রজননপ্রযুক্তিতে নতুন সাফল্যের কথা জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কলা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান চিকুইটা এবং ফসল উন্নয়ন সংস্থা কি-জিনের যৌথ গবেষণা প্রকল্প ‘ইয়েলোওয়ে’ ঘোষণা করেছে যে তারা প্রজননক্ষম ক্যাভেন্ডিশ কলার একটি জাত উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে সংকরায়ণের মাধ্যমে টিআর৪ রোগ প্রতিরোধী এবং বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক নতুন কলার জাত তৈরির পথ খুলে যাবে বলে আশা করছেন গবেষকেরা।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (https://www.prothomalo.com/world/usa/tnjmhj9rrf)। ঘটনার তারিখ: 2026-10-24

এই সংবাদটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

একটি বা একাধিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারেন

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও সংবাদ

জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তহবিলে সরাসরি ক্ষতিপূরণ বরাদ্দের দাবিতে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থান

বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডের অর্থায়নে অনুদান ভিত্তিক সহায়তা ও স্বচ্ছ বরাদ্দের জন্য কমনওয়েলথ প্ল্যাটফর্মে যৌথ প্রস্তাব।

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

উপকূলের জেলাগুলোতে বৃষ্টির পূর্বাভাস: নৌযান ও কৃষকদের জন্য আবহাওয়া দপ্তরের জরুরি পরামর্শ

দক্ষিণাঞ্চলে মৌসুমি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় আমন ক্ষেতের পানি ব্যবস্থাপনা ও মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে সতর্ক থাকার আহ্বান।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

তুরস্কের আনতালিয়ায় কপ-৩১ সম্মেলনের প্রস্তুতি পর্যালোচনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক

প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সভাপতিত্বে জাতীয় অবস্থান ও জলবায়ু অর্থায়ন কৌশল চূড়ান্ত

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক