চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে দেশের কৃষিতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সুফল পৌঁছে দিতে সফলভাবে যুক্ত হচ্ছে স্থানীয় প্রযুক্তিতে তৈরি স্মার্ট স্প্রেয়িং ড্রোন ও মাল্টিস্পেকট্রাল সেন্সর। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত 'স্মার্ট এগ্রি-ভিশন ২০২৬' প্রকল্পের আওতায় মাঠ পর্যায়ে এই প্রযুক্তির উপযোগিতা প্রদর্শিত হয়েছে।
**স্মার্ট এগ্রি-প্রযুক্তির মূল সুবিধাসমূহ:** - **কীটনাশক সাশ্রয়:** স্বাভাবিক হাতের স্প্রে করার তুলনায় ড্রোনে স্প্রে করলে ওষুধের অপচয় প্রায় ৩৫ শতাংশ কমে। - **সময় ও শ্রম সাশ্রয়:** যে জমিতে কাজ করতে একজন কৃষকের সারাদিন লাগত, ড্রোন মাত্র ১০ মিনিটে তা সুষমভাবে সম্পন্ন করে। - **স্বাস্থ্য সুরক্ষা:** বিষাক্ত কীটনাশকের সরাসরি স্পর্শ থেকে কৃষকরা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকছেন। - **মাটির আর্দ্রতা পরীক্ষা:** ড্রোনে সংযুক্ত সেন্সরের মাধ্যমে জমির কোন অংশে পানির ঘাটতি রয়েছে তা তাৎক্ষণিক ম্যাপে চিহ্নিত হয়।
প্রকল্প পরিচালকরা জানিয়েছেন, স্থানীয় কৃষি সমবায়গুলোর মাধ্যমে সুলভে এই ড্রোন সেবা ভাড়া দেওয়ার মডেল তৈরি করা হচ্ছে, যাতে ক্ষুদ্র কৃষকরাও প্রযুক্তির সুফল ভোগ করতে পারেন।

