গ্যাস সংকটে যে কারখানাগুলো ধুঁকছিল, মহেশখালীর টার্মিনাল পুরোদমে চালু হওয়ায় সেগুলোতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। নারায়ণগঞ্জের বিসিক শিল্পনগরী ও গাজীপুরের তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে এখন নিয়মিত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে।
কারখানা শ্রমিকরা জানিয়েছেন, গ্যাস না থাকলে বয়লার বন্ধ থাকে, ফলে কাজ আটকে গিয়ে অতিরিক্ত রাতে কাজ করতে হতো। এখন দিনের নির্ধারিত সময়েই উৎপাদন সম্পন্ন হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে সময়মতো পোশাক ও শিল্পপণ্য পৌঁছে দেওয়া বাংলাদেশের সুনামের সঙ্গে জড়িত। গ্যাস সরবরাহ ঠিক থাকায় বিদেশি ক্রেতাদের কাছে নির্ধারিত সময়ে কনটেইনার পাঠানোর শঙ্কা কেটে গেছে।
পেট্রোবাংলা আশ্বস্ত করেছে, আসন্ন শীত মৌসুমেও যাতে শিল্প খাতের উৎপাদন ব্যাহত না হয়, সেজন্য এলএনজি আমদানির শিডিউল সুবিন্যস্ত রাখা হয়েছে।


