একটি রাষ্ট্রের সংবিধান কেবল আইনের নথি নয়, বরং সাধারণ নাগরিকের বেঁচে থাকা, সম্মান ও অধিকারের প্রধান নিশ্চয়তা। সেই সংবিধানকে আরও বেশি জনবান্ধব ও গণতান্ত্রিক রূপ দিতে রাজনৈতিক দল ও সমাজের অভিজ্ঞ মহলের মতামত নেওয়া শুরু করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি।
আজ অনুষ্ঠিত সংলাপে বক্তারা উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষ যখন থানায় বা আদালতে যায়, তখন যাতে তারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই সাংবিধানিক নিশ্চয়তা তৈরি করতে হবে। ক্ষমতার অতি-কেন্দ্রীকরণের কারণে অতীতে নাগরিক অধিকার যেভাবে সংকুচিত হয়েছিল, ভবিষ্যতে যেন তার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে সবাই একমত পোষণ করেন।
কমিটির এক সদস্য জানান, সাধারণ মানুষের মতামতও অনলাইন পোর্টাল ও ডাকযোগে আহ্বান করা হবে। প্রাপ্ত মতামতগুলো মূল্যায়ন করে এমন একটি সংস্কার প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে।
নাগরিক প্রতিনিধিরা এই সংলাপের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, দলমত নির্বিশেষে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলাই এ সংস্কারের আসল সাফল্য।
