গত কয়েক বছরের ডলার সংকটের চাপ কাটিয়ে দেশের অর্থনীতি এখন বেশ স্বস্তিদায়ক অবস্থানে পৌঁছেছে। প্রবাসীদের পাঠানো কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রার ওপর ভর করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার স্পর্শ করেছে। বিপিএম-৬ গণনায় যা ৩১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
সাধারণ মানুষের জীবনে এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, খাদ্যপণ্য, জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও শিল্প কাঁচামাল আমদানির জন্য লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে এখন ডলার পেতে কোনো বেগ পেতে হচ্ছে না। ব্যাংকে ডলারের পর্যাপ্ত তারল্য থাকায় আমদানিকারকদের অতিরিক্ত বাড়তি প্রিমিয়াম গুনতে হচ্ছে না।
পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক আজ এক নির্দেশনায় জানিয়েছে, কেনাকাটার সময় আলাদা আলাদা ব্যাংকের জন্য ভিন্ন কিউআর কোডের দিন শেষ হতে চলেছে। 'বাংলা কিউআর' ব্যবহারের মাধ্যমে একজন ক্রেতা নিজের পছন্দমতো যেকোনো ব্যাংকের অ্যাপ বা বিকাশ-নগদ অ্যাকাউন্ট দিয়ে কিউআর স্ক্যান করলেই বিল পরিশোধ হয়ে যাবে। কোনো কার্ড বহন করার বা খুচরা টাকার ঝামেলার প্রয়োজন পড়বে না।
বিশ্লেষকদের মতে, মুদ্রাবাজারের এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখা গেলে আগামী দিনগুলোতে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর মূল্যস্ফীতির বোঝা আরও হালকা হবে।




